আমাদের গল্প

১ জানুয়ারী , ২০১৬,
আমাদের চোখের সামনে এমন অনেক সুবিধাবঞ্চিত শিশু আছে যাদের সময় এখন স্কুলে যাওয়ার কিন্তু তারা এর পরিবর্তে এসে ভিক্ষা করছে কিংবা শিশুশ্রমিক হিসেবে অর্থ উপার্জন করছে। এমন সুবিধাবঞ্চিত বা টাকার অভাবে পড়তে পারছে না এমন ঘটনা একটা দু’টো নয়, যারা একটুখানি সহযোগিতা পেলেই দেশ ও দশের নাম উজ্জ্বল করবে। এই যাত্রায় সহযোগী হতে পারি আমি-আপনি, আমরা সবাই। শুধু দরকার একতা। হ্যাঁ, মাত্র ’একতা-ই পারে অসাধারণ পরিবর্তন আনতে।
শুনতে অবাক মনে হলেও আসলে সত্যি যে এক সাথে সহযোগিতা করে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। আর সেই সম্ভব টা করছে কিছু স্বপ্নবাজ তরুণ- গত প্রায় পাঁচ বছর সময় ধরে; সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের পাশে এবং গরীব হত দরিদ্রদের  পাসে দাঁড়ানোর জন্যে অত্র সংগঠন  সহ আরো কিছু সমাজ প্রেমি ব্যাক্তিবর্গ ও শিক্ষার্থীর প্রবল ইচ্ছশক্তির প্রয়াস “উত্তর পাহাড়তলী যুব সমাজ কল্যাণ সংগঠন  ”

মূল থিম
আপনি ৩০ দিনে ৩০ টাকা করে প্রতি বছরে  ৩৬০  টাকা দিবেন। এভাবে ১০ মানুষ প্রতি মাসে ৩০ টাকা করে দিলে হয় (৩০*১০=৩০০ টাকা)। এভাবে ১০ জন বা ৫০ মানুষের যুক্ত একটা পরিবার পারে এই সুবিধাবঞ্চিত এবং টাকার অভাবে হাজারো অন্ধকারে রয়ে যাওয়া মেধাবীদের আলোর দিশারী হতে। ইতোমধ্যে এই সংগঠনে যুক্ত হয়েছে সমাজের অনেক জন শুভাকাঙ্ক্ষী, যারা  সহযোগিতা করবেন বলে যুক্ত আছেন। আমাদের এতটুকুন চেষ্ঠা, সহযোগিতায় কি পরিমাণ মানুষের সহযোগিতা হবে তা কল্পনাতীত। আর আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য ১০০ জন শুভাকাঙ্ক্ষী আমাদের সাথে যুক্ত হয়ে কিছু অর্থ সহায়তা  হিসেবে মাস শেষে হলেও দিবেন।

কার্যক্রম

আমরা চাই সুন্দর সুষ্ঠু সমাজ দেশকে উপহার দিতে। সমাজের প্রতিটি মানুষকে মানবতার ফেরিওয়ালা বানাতে। যেন এক অপরের প্রতি সহোদর হয়।

প্রিন্ট মিডিয়া

আসুন না, একটি বার আমাদের নিজেদের অবস্থান থেকে একটু চেষ্টায় এই সুবিধাবঞ্চিত এবং টাকার অভাবে আঁধারে রয়ে যাওয়া প্রাণগুলোকে আরেকটাবার উজ্জীবিত করে তুলি ঠিক স্বাধীনতার রক্তিম সূর্যের মত।

আমাদের সাথে যুক্ত হতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন

“যদি থাকে তোমার লাজ”
“তুমিই গড়তে পারবে সুন্দর সমাজ”

আমাদের এই ক্ষুদ্র অবদানে হয়তো কারো জীবন বদলাবে। হয়তো এই সুবিধাবঞ্চিতদের মধ্যেই লুকিয়ে আছে আগামীর আতিউর রহমান, এ. পি. জে. আব্দুল কালামদের মত গুণী ব্যক্তিবর্গ। চলুন এদের অঙ্কুরে বিনষ্ট হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে আলোর পথে এগিয়ে নিয়ে যাই